• ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

জামিনে মুক্তি পেলেন শফিক রেহমান

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৬
জামিনে মুক্তি পেলেন শফিক রেহমান

sofik rohmanরিপোর্ট ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমান মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কাশিমপুর কারাগারের পার্ট-২ থেকে তিনি ছাড়া পান।

গত ১৬ এপ্রিল ইস্কাটন গার্ডেন রোডের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন শফিক রেহমান। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তাঁর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ করে হত্যাচেষ্টা পরিকল্পনার অভিযোগে দায়ের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর পর এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৭ এপ্রিল শফিক রেহমানকে দুই দফায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। সেখান ধেকে ওইদিন রাতেই তাকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

গাজীপুরের এই কারাগারে আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানও রয়েছেন। বন্দি মাহমুদুরকেও শফিক রেহমানের মতো জয়কে হত্যার চক্রান্তের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

২৫ মে এ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন সাংবাদিক শফিক রেহমান। এর আগে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত এ মামলায় শফিক রেহমানের জামিন নাকচ করেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে তথ্য পেতে এফবিআইয়ের এক সদস্যকে ঘুষ দেওয়ায় ২০১৫ সালে বিএনপি নেতার ছেলে রিজভী আহমেদ সিজার (৩৬) নামে একজনকে গত বছর তিন বছরের কারাদণ্ড দেয় দেশটির একটি আদালত। সিজার বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাসাসের নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনের ছেলে। এ ঘটনায় ঘুষের বিনিময়ে তথ্য সরবরাহের অপরাধে এফবিআই এজেন্ট রবার্ট লাস্টিকেরও পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয়েছে।

মার্কিন আদালতে প্রসিকিউশনের নথিতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে ‘অপহরণ, ভয় দেখানো ও ক্ষতি করাই’ ছিল সিজারের তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য। সিজার কিছু তথ্য বাংলাদেশি ‘এক সাংবাদিককে’ সরবরাহ করেছিলেন এবং বিনিময়ে ‘প্রায় ৩০ হাজার ডলার’ পেয়েছিলেন।

গ্রেপ্তারের সময় শফিক রেহমানের ইস্কাটনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে জয় সংক্রান্ত কিছু তথ্য ও গোপনীয় নথিপত্র পাওয়া গেছে বলে গোয়েন্দা পুলিশের দাবি করেছিল তখন। যদিও শফিক রেহমানে স্ত্রী তালেয়া রেহমান দাবি করেছেন, ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিক’ হিসেবে নিবন্ধ লেখার জন্যই তার স্বামী ওই তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।

ওই সময় শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার প্রমাণ আছে বলে দাবি করেছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

ফেসবুক পোস্টে জয় লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে তার সম্পর্কে তথ্য পেতে এফবিআই কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অপরাধে এক বিএনপি নেতার ছেলের কারাদণ্ডের মামলা থেকেই ওই সব ‘প্রমাণ’এসেছে।’

(বাংলার আলো/৬সেপ্টেম্বর/ডিটি/এএ.ঘ)