
বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রতিনিধি :
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (হোয়াটসএপ, ফেসবুক-মেসেঞ্জার) ঘোষণা দিয়ে বিয়ানীবাজার চারখাই ইউনিয়নে লন্ডন প্রবাসী সুহাদ আহমদ চৌধুরীর বাসায় হামলা, ভাংচুর-লূটপাট চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসময় হামলাকারীরা পিটিয়ে আহত করেছে সুহাদ চৌধুরীর ছোট ভাই তাহমীদ আহমদ চৌধুরী ও চাচা জামাল আহমদ চৌধুরীকে। এদের মধ্যে তাহমীদের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে চারখাই ইউনিয়নের সাচান গ্রামের খালেদ উদ্দিন চৌধুরী ও কবির আহমদ চৌধুরীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। এর আগে কবীর ও তার অনুসারীরা হামলা করে খালেদ আহমদ চৌধুরীর বড় ছেলে সুহাদ আহমদ চৌধুরীকে আহত করে। বর্তমানে সুহাদ লন্ডনে অবস্থান করছেন।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে লন্ডনে অবস্থানরত সুহাদ আহমদ চৌধুরী এই প্রতিবেদককে জানান, তিনি তার বাবার সম্পত্তি অবৈধ দখল মুক্ত করতে লন্ডনে বসে স্থানীয় বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করেছেন। এই খবর কবীর চৌধুরী ও তার অনুসারীরা জানতে পেরে আমাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (হোয়াটসএপ, ফেসবুক-মেসেঞ্জার) দেশে ফিরে গেলে হত্যার হুমকি দেয়। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিচারের ব্যবস্থা করা হলে আমার বাসায় হামলা করে সবাইকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি প্রদান করে।
তিনি জানান, আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হোসেন মুরাদ চৌধুরীর বাসভবনে আমাদের জায়গা-জমির বিষয় নিয়ে কাগজাদি প্রমাণপত্র নিয়ে দুপক্ষের উপস্থিতিতে বিচারের সম্মুখীন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তার আগেই সকাল ৯টায় কবীর আহমদ চৌধুরী ও তার অনুসারী ছাত্রলীগের কয়েকজন সন্ত্রাসীরা আমার বাড়ীতে হামলা চালিয়ে আমার ছোট ভাই তাহমীদ উদ্দিন চৌধুরীকে গুরুতর আহত করে। এসময় তাকে বাচাতে এগিয়ে এলে আমার চাচা জামাল উদ্দিন আহমদ চৌধুরীকেও আহত করে সন্ত্রাসীরা।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনা শুনার পর তিনি মানসিক যন্ত্রণায় ভোগছেন। পুলিশে রিপোর্ট করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কবীর আহমদ চৌধুরী উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান পল্লব আহমদের গ্রুপের নেতা। উনার বিরুদ্ধে পুলিশ কখনোই অভিযোগ গ্রহণ করবে না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ‘আমার শরীরের শেষ রক্তবিন্দু থাকা অবস্থায় আমি আমার পারিবারিক সম্পত্তি ওদেরকে দখল করতে দেবো না’।