• ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

পূর্ব শত্রুতার জেরে বিয়ানীবাজারের পল্লীতে আগুনে পুড়ে ছাই প্রবাসীর ঘর

admin
প্রকাশিত আগস্ট ৬, ২০২৪
পূর্ব শত্রুতার জেরে বিয়ানীবাজারের পল্লীতে আগুনে পুড়ে ছাই প্রবাসীর ঘর

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি
বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের বেজগ্রাম এলাকায় শ্বশুর বাড়ীর লোকদের দেয়া আগুনে এক প্রবাসীর ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, গতকাল সোমবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে। অগ্নিকান্ডে মোঃ সামছ উদ্দিনের পুত্র ইংল্যান্ড প্রবাসী মো: রেজাউল আহমদ রেজা এর ঘরটি ভস্মিভূত হয়। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়

প্রবাসীর পিতা মোঃ সামছ উদ্দিন জানান, নালবহর গ্রামের মো: আব্দুল মালিকের মেয়ে মোছা: হামিদা আক্তার উর্মির সাথে আমাদের ছেলে মো: রেজাউল আহমদ রেজার বিবাহ হয়। বিবাহের পর আমার ছেলে তার স্ত্রীকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে চলে যায়। যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ার পর আমার ছেলের সাথে উর্মির বিরোধ বাঁধে সে আমার ছেলেকে তালাক দেওয়ার জন্য জোর চালায়। কিন্তু আমার ছেলে তার সুন্দর সংসার চুরমার করে তালাক দিতে রাজি না হওয়াতে উর্মি তার পুরনো প্রেমিকের হাত ধরে অন্যত্র পালিয়ে যায়। বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে মেয়ের পরিবারের সাথে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা অনিহা প্রকাশ করে। সর্বশেষ অনেক অনুরোধের পর তারা সালিশ বৈঠকে বসে আমার বাড়ীতে। বৈঠকের দিন মেয়ে পক্ষের লোক হঠাৎ করে আমাদের উপর চরম ক্ষীপ্ত হয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমি আমার পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হন।

রেজাউলের পিতা আরো বলেন, আমার ছেলের শ্বশুরবাড়ীর সদস্যরা সংঘবদ্ধ হয়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার ঘর ভাংচুর শুরু করে এবং পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় আমার বসতঘরে। ঘটনার দিন রাত সোয়া একটার দিকে জানালা দিয়ে হঠাৎ আগুনের শিখা দেখে বাইরে এসে চিৎকার দিলে আমার ছেলে মো: রাফিউল আলম, পাশের ঘরের জামিল আহমদ, তাজ উদ্দিন, শাহাব উদ্দিন, ছালেখ উদ্দিন, সুনাম উদ্দিন, সেলিম উদ্দিন সহ আশেপাশের লোকজন এসে আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই বসত ঘরের সবকিছুই ভস্মীভূত হয়ে যায়। সবকিছু হারিয়ে এখন আমরা নি:স্ব।

এ বিষয়ে মাথিউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আমান উদ্দিন বলেন, বসতঘর পুড়ানোর বিষয়টি আমি অবগত আছি। প্রবাসী মোঃ রেজাউল আহমদ রেজাও বিষয়টি আমাকে ফোনে জানিয়েছে। তাদের পারিবারিক সমস্যা দীর্ঘদিনের। ঘটনাটি ইতোপূর্বে সালিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে তারপরও সুরাহা হয়নি।