
স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ ক্যাডার কর্তৃক ছাত্রশিবির নেতার পরিবারকে হুমকীর অভিযোগ উঠছে। গতকাল সোমবার (৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর এয়ারপোর্ট থানার মহালদিক গ্রামের আব্দুল মালিকের পুত্র ছাত্রশিবির নেতা আব্দুল মুমিন রাহির বাসায় এই হুমকীর ঘটনা ঘটে। উপস্থিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা শিবির নেতা আব্দুল মুমিন রাহিকে বাসায় না পেয়ে পরিবারের নারী ও শিশু সদস্যদের হুমকি-ধামকি দেয় এবং গালিগালাজ করে। এসময় তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানার মহালদিক গ্রামের আব্দুল মালিকের পুত্র আব্দুল মুমিন রাহি ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। এছাড়া তিনি সরকার বিরোধী নানা কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সাথে তার বিরোধ দেখা দেয়। কিছুদিন আগে তিনি দেশ ছেড়ে প্রবাসে চলে যান। প্রবাসে থেকেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারবিরোধী অপপ্রচার অব্যাহত রাখেন। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু রাহি এরপরও সরকারবিরোধী অপপ্রচার অব্যাহত রাখেন। এর জের ধরে গতকাল সোমবার (৬ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ১০/১২ জন সশস্ত্র নেতাকর্মী শিবির নেতা রাহির বাসায় যান। তার পরিবারকে হুমকী-ধামকী দেন। তখন বাসায় থাকা নারী ও শিশুদের গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া নারী সদস্যদের সাথেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠছে।
এ ব্যাপারে ছাত্রশিবির নেতা আব্দুল মুমিন রাহির বাবা আব্দুল মালিক বলেন, আমার ছেলে রাহি ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলো। দেশে থাকতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সবসময় তাকে হুমকী-ধামকী ও পুলিশ দিয়ে হয়রানী করতো। ছেলেটি দেশ ছেড়ে চলে গেলেও ক্ষমতাসীনদের হুমকী ধামকী অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ জিডি না নিয়ে তাদের সাথে আপোষ করার নির্দেশ দেয়।
এ ব্যাপারে এয়ারপোর্ট থানার ওসি মঈন উদ্দিন শিপন বলেন, এমন কোন অভিযোগ কেউ করেনি।