• ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ঘাসিটুলায় বাসায় ঢুকে দুর্বৃত্তের হামলায় পিতা ও পুত্র গুরুতর আহত

admin
প্রকাশিত আগস্ট ১৩, ২০২৪
ঘাসিটুলায় বাসায় ঢুকে দুর্বৃত্তের হামলায় পিতা ও পুত্র গুরুতর আহত

স্টাফ রিপোর্টারঃ ঘাসিটুলায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাবেক যুবলীগ নেতা শাহিদুল ইসলাম এর বাসায় হামলা ও তান্ডব চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার পিতা নাঈম উল্লাহ ও ভাই সোহেল আহমেদ। সোমবার (১২ আগস্ট) বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫ ঘটিকার দিকে সিলেট নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা এলাকার ব্লক- বি, ৭০ নং বাসায় এই ঘটনা ঘটে। তখন সোহেল আহমেদ এর স্ত্রী ও সন্তান বাড়ীতে না থাকায় (শ্বশুর বাড়ি থাকায়) ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে আল হারামাইন হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শরিরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়েছে।

নজরুল ইসলাম নামের তাদের এক প্রতিবেশী জানান, হামলাকারীরা মূলত হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালিয়েছে। তিনি আরো জানান, নাঈম উল্লাহ এর ছেলে প্রবাসী শাহিদুল ইসলাম যুবলীগের সিলেট সদর ১০ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী। তিনি দেশে থাকাকালীন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগের সহিত সক্রীয় ও পদধারী নেতা ছিলেন। বর্তমানে দেশের বাহিরে থাকলেও অনলাইনে সরকার ও বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা এবং কটাক্ষ করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পোস্ট বা কমেন্টে উস্কানী দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এজন্য শাহিদুল ইসলাম এর পিতা ও ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখোশ পড়া দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাসায় ঢুকে হামলা চালায়। পরে মোটরসাইকেল করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুর্বৃত্তরা।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং অবিলম্বে দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বৃহত্তর ঘাসিটুলা এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে মুঠো ফোনে কথা হয় যুক্তরাজ্য প্রবাসী ও যুবলীগের সিলেট নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড শাখার সাবেক সভাপতি শাহিদুল ইসলাম এর সাথে। তিনি জানান, “২০২২ সালে আমি উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশ ত্যাগ করি। এখন সরকার পতনের পর বিরোধী দলের শত্রুরা সুযোগ পেয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার বাড়ীতে, আমার পিতা ও ভাইয়ের উপর হামলা চালিয়েছে হত্যার উদ্দেশ্যে। তারা ভেবেছিল আমি হয়তো এখনো দেশে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছি। মূলত মারতে এসেছিল আমাকে, আমাকে না পাওয়ার কারনে আমার বৃদ্ধ বাবা ও ভাই কে এর মূল্য দিতে হলো। তাদের শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। আমার ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানেরা তাদের নানাবাড়ি থাকার কারণে ভাগ্যক্রমে সন্ত্রাসীদের কাছ হতে রেহাই পান।”

এদিকে ভিক্টিমের পরিবার পুলিশের নিকট লিখিত অভিযোগ দিতে চাইলেও তা নেয়া হয়নি বলে দাবী ভিকটিমের পরিবারের।সোহেল আহমেদের স্ত্রী সংবাদ মাধ্যম কে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা অথচ এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ কোন অভিযোগ গ্রহণ করে নাই।

এ ব্যাপারে এসএমপি কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈন উদ্দিন শিপন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি (৫ই আগস্টের পর) আত্নগোপনে থাকায় ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অফিসিয়াল নাম্বারে বার বার ফোন দিলেও কোন সাড়া মেলেনি।