
কুমিল্লা প্রতিনিধি
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য হত্যার বিচার দাবি করায় দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (বিপি- ৮৭০৭১১১৪৭৬)। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী। কিছুদিন আগে গ্রামের বাড়িতে সন্ত্রাসীরা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। হামলাকারীরা যাওয়ার সময় প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে গেছে – -আনোয়ার দেশে ফিরলেই তাকে হত্যা করা হবে। এলাকা বাসীরা বলেন , হামলা কারীরা সব বর্তমান সরকারের পালিত সন্ত্রাসী ও বৈষম্য বিরোধী আন্দলনে যুক্ত ছিল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ৫ আগস্ট ২০২৪ হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের ভেতর থেকে বিচারের দাবিতে চারজন ‘সমন্বয়ক’ ছিলেন। এর মধ্যে এএস আই মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন একজন। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার যুক্তরাজ্যে আছেন। আর ২ জন রিমান্ডে ও ১ জনের ইতিমধ্যে ফাঁসির রায় হয়েছে।
এ বিষয়ে এএসআই মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী তানজিনা ফেরদৌস প্রতিবেদককে ফোনে জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে আমার স্বামীর ওপর একের পর এক ভয়ংকর অবস্থা নেমে আসে। সহকর্মীর খুনের বিচার চাওয়া কি অপরাধ? ৬ মাস আগে স্ট্রেস সহ্য করতে না পেরে সে স্ট্রোক করে। এরপর ও কিছু মনে রাখতে পারে না, চোখে দেখে না। বর্তমানে আমার অসুস্থ স্বামী ও জমজ বাচ্চা নিয়ে যুক্তরাজ্যে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছি বলে প্রতিবেদককে জানান। তিনি আরো বলেন, আমার স্বামী স্ট্রোক করে ডিজেবল হয়ে যাবার কারনে সে কাজও করতে পারে না। একে তো তার শারিরীক অবস্থা খুবই খারাপ তার উপর মিথ্যা মামলার প্রেসার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোতোয়ালি থানার এক পুলিশ সদস্য বলেন, “আমরা যারা বিচার চাইছি, তারাই যদি নিরাপদ না থাকি, তাহলে সাধারণ মানুষ কই যাবে?”
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এর মুবাইল ফোনে বার বার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেন নাই।