
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজধানীতে সুরভী আক্তার (২০) নামীয় এক যুবতীকে হেনস্তার ঘটনায় সাভার থানায় জিডি করা হয়েছে। যার নং-১০০৮। গতকাল শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৫ ঘটিকার দিকে সাভার হেমায়েতপুরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও জিডি সূত্রে জানা যায়, যুবতী সুরভী আক্তার এর স্বামী মো: অমিত হোসাইন সাভার থানাধীন ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক। তার ঠিকানা: সাং-হারুরিয়া, পোঃ মুশুরীখোলা, থানা-সাভার। গত ৩০-০৬-২০১৯ ইং তারিখে তাদের পছন্দ মতো (সুরভী আক্তার ও মো: অমিত হোসাইন) ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। কিন্তু যুবতীর পিতা-আতাউর রহমান এ বিয়েতে রাজী ছিলেন না। যুবতীর পিতা সাভার থানাধীন তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি ও বাংলাদেশ আন্তঃজিলা ট্রাক কভারভ্যান মিনিট্রাক চালক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন মুশা এর সহিত এর আগে বিয়ে ঠিক করেছিলেন। যুবতী তার পিতার পছন্দের লোক কে বিয়ে না করায় ঐ বিএনপি নেতা মব সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করে। মোঃ মোশারফ হোসেন মুশা ঐ যুবতীর দাম্পত্য জীবনের নষ্ট করার জন্য তাকে প্রায় ফোন দিয়ে উস্কানিমূলক কথা বলে যেন তার স্বামীর সংসার ত্যাগ করিয়া বিবাদীর কাছে চলে যায় অন্যথায় তাদেরকে হত্যা করার হুমকি প্রদান করে আসছিলেন। ঘটনার দিন যুবতী ও তার স্বামী হেমায়েতপুরে বাজার করার জন্য গেলে বিবাদী সুরভী আক্তার এর হাত ধরিয়া টানাটানি করিয়া তার শরীরের জামা কাপড় ছিরিয়া তাকে শারিরীকভাবে অনেক হেনস্তা করে। তখন বিবাদী বলে যে, তুমি (সুরভী আক্তার) আমাকে বিয়ে করো নাই তাই আমি তোমাদের এক সাথে সংসার করতে দিব না, আমি তোমাকে বাঁচতে দিবনা।এইভাবে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করে। এসময় যুবতীর স্বামী ছাত্রলীগ নেতা মোঃ অমিত হোসাইন বাধা প্রদান করিলে বিবাদী তাকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এগিয়ে যায় পরে চিৎকার করিলে লোকজন আসিয়া তাদেরকে ঐ লোকের হাত থেকে রক্ষা করেন। পরবর্তীতে যাওয়ার সময় ঐ বিএনপি নেতা হুমকি দিয়ে বলে তোকে আমি ছাড়বো না। তোদের আমি মেরে ফেলবো।
এ বিষয়ে জানতে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এএফএম সায়েদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা অভিযোগ টি আমলে নিয়েছি। তদন্ত করে এবং ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।